ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মনোহরদীতে দরবার শরীফ ভাঙচুর,লুটপাটের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন মনোহরদী সাংবাদিক ফোরামের কমিটি গঠন সভাপতি আসাদ, সা. সম্পাদক বাকি বিল্লাহ সাংবাদিকরা পজেটিভ লিখলে ভালো কাজে জাতি উৎসাহিত হবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রী কটিয়াদীতে স্কুল শিক্ষার্থী স্মৃতির মৃত্যু ঘিরে রহস্য, পরিবারের দাবি হত্যা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ‘ব্যক্তিগত কর্মকর্তা’ হিসেবে নিয়োগ পেলেন মনিরুজ্জামান ছোটন ডাক্তারদের পছন্দ অনুযায়ী তাদের পোস্টিং দেয়া হবে– স্বাস্থ্য পরিবার মন্ত্রী মনোহরদী প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুন অর রশিদ, সম্পাদক সুজন বর্মণ মান্দায় ভূমি সংক্রান্ত গণশুনানি অনুষ্ঠিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বিপুল ভোটে বিজয়ী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল  উচ্ছ্বাসে ভাসছে নওগাঁ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ফজলে হুদা বাবুলকে

শিবপুরে কাবিখা,টিআর প্রকল্পে ৫২ লাখ টাকা জালিয়াতি: পিআইও অফিসের ২ কর্মচারী আটক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • ৭০৪ বার পড়া হয়েছে

ডেক্স নিউজ :- নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় সরকারি কাবিখা ও টিআর প্রকল্পের বিলের বিপরীতে প্রায় ৫২ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলনের অভিযোগে পিআইও (প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস) অফিসের দুই কর্মচারীকে আটক করেছে পুলিশ।

 

শিবপুর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৫ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) মাধ্যমে কাবিখা/টিআর প্রকল্পের মোট ১৯১টি বিল হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দেওয়া হয়। বাজেট সংকটের কারণে বিলগুলো অনুমোদিত না হলেও, এর মধ্যে ৮১টি বিল পরবর্তীতে ২৬ জুন ভাউচার করা হয়।

 

এনএসআই (জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা) বিষয়টি জানতে পেরে ২৮-৩০ জুন গোপন অনুসন্ধানে নামে। তদন্তে দেখা যায়, সরকারি এই অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে পিআইও অফিসের কার্য সহকারী তুহিন এবং আউটসোর্সিং কর্মী (পিয়ন) আশিক সরাসরি জড়িত। এনএসআই-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজ ও জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতারণার প্রমাণ মেলে।

 

এনএসআই প্রাপ্ত তথ্যাদি শিবপুর উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করা হলে, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গত ৩০ জুন দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে শিবপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করে।

 

আজ (১ জুলাই) বিকেল ২টায় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা কাবিখা/টিআর প্রকল্পের আত্মসাৎকৃত ৫২ লাখ টাকার মধ্যে ৫২ লাখ টাকা পুলিশের কাছে ফেরত দিয়েছে বলে জানা গেছে।

 

শিবপুর সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত তুহিন টাকা উত্তোলন করে দাবি করে ইউএনও’র কাছে জমা দিয়েছে, কিন্তু পরে আবার জানায় ব্যাংকে টাকা নেই। ইউএনও দ্বিতীয়বার তাকে ব্যাংকে পাঠালে সে ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তোলে। তবে গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে পুরো ঘটনার সত্যতা উদঘাটন হয়।

 

বর্তমানে আটককৃতরা শিবপুর মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মনোহরদীতে দরবার শরীফ ভাঙচুর,লুটপাটের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

শিবপুরে কাবিখা,টিআর প্রকল্পে ৫২ লাখ টাকা জালিয়াতি: পিআইও অফিসের ২ কর্মচারী আটক

আপডেট সময় ১১:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

ডেক্স নিউজ :- নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় সরকারি কাবিখা ও টিআর প্রকল্পের বিলের বিপরীতে প্রায় ৫২ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলনের অভিযোগে পিআইও (প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস) অফিসের দুই কর্মচারীকে আটক করেছে পুলিশ।

 

শিবপুর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৫ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) মাধ্যমে কাবিখা/টিআর প্রকল্পের মোট ১৯১টি বিল হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দেওয়া হয়। বাজেট সংকটের কারণে বিলগুলো অনুমোদিত না হলেও, এর মধ্যে ৮১টি বিল পরবর্তীতে ২৬ জুন ভাউচার করা হয়।

 

এনএসআই (জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা) বিষয়টি জানতে পেরে ২৮-৩০ জুন গোপন অনুসন্ধানে নামে। তদন্তে দেখা যায়, সরকারি এই অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে পিআইও অফিসের কার্য সহকারী তুহিন এবং আউটসোর্সিং কর্মী (পিয়ন) আশিক সরাসরি জড়িত। এনএসআই-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজ ও জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতারণার প্রমাণ মেলে।

 

এনএসআই প্রাপ্ত তথ্যাদি শিবপুর উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করা হলে, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গত ৩০ জুন দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে শিবপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করে।

 

আজ (১ জুলাই) বিকেল ২টায় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা কাবিখা/টিআর প্রকল্পের আত্মসাৎকৃত ৫২ লাখ টাকার মধ্যে ৫২ লাখ টাকা পুলিশের কাছে ফেরত দিয়েছে বলে জানা গেছে।

 

শিবপুর সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত তুহিন টাকা উত্তোলন করে দাবি করে ইউএনও’র কাছে জমা দিয়েছে, কিন্তু পরে আবার জানায় ব্যাংকে টাকা নেই। ইউএনও দ্বিতীয়বার তাকে ব্যাংকে পাঠালে সে ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তোলে। তবে গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে পুরো ঘটনার সত্যতা উদঘাটন হয়।

 

বর্তমানে আটককৃতরা শিবপুর মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।